সূচীপত্র
আদিখন্ড
প্রথম তরঙ্গ বন্দনা ও মঙ্গলাচরন
বন্দনার জয় শব্দের ব্যাখ্যা। মঙ্গলাচরনের পূর্ণ সার্থকতা চিত্র সহ আলোচনা। অষ্টবিংশ অবতার তত্ত্ব। [এই কলিকালে গৌরাঙ্গ অবতার। বর্তমান ক্ষেত্রে দারুব্রহ্ম রূপ আর। দারু ব্রহ্ম মুর্তির আলোচনা। শ্রী শ্রী হরিচাঁদের পূর্ণব্রহ্মের আলোচনা]
পূনর্ব্বার অবতার প্রয়োজন ও পূর্ব্ব পূর্ব্ব পূরাণ ও ভাগবত প্রসঙ্গ
তিনশক্তি একত্রে হইয়া ভগবান। দেবকীর বায়ুগর্ভে দুই শক্তি যান। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে মিমাংসা রয়েছে যশোদার গর্ভে মহাবিষ্ণু জন্মিয়াছে। চারশক্তি একত্রে হয় কৃষ্ণলীলা। ভাগবতে শুকদেব মিমাংসা করিলা। গৌড়িয়ার ভক্ত তার নাহি পায় লেশ, শুদ্ধাচার সেবাভক্তি নাম ভাবাবেশ। একবার মাতাকে দিলাম পরিচয়। গ্রহণের বেড়িগড়ি দিল মোর পায়।
ঃ অথদ- ভঙ্গ বিবরণ ঃ
দ-ভঙ্গের বিবরণ। কলিযুগের নিষিদ্ধ পাঁচটি বাক্য তৈরি শ্লোকের শব্দার্থ করণ ও অনুবাদ।
-ঃ যমকলি প্রভাব গ্রন্থালোচনা।ঃ-
শ্লোকের শব্দার্থ ও অনুবাদ। যথাকার বিন্দু মোরা তথায় পাঠাব। প্রকৃতি স্থানে বিন্দু কিছু না রাখিব। শ্রাদ্ধ উৎসর্গ ত-ুল পরশে প্রেমশূণ্য। অজলোম পরশে ভক্তি শূণ্য। পরিত্রানাং সাধুনাং-----সম্ভাবামি যুগে যুগে। শ্লোকের শব্দার্থ ও অনুবাদ। বনচারি অখিলচাঁদ, সেবা কমলিনী, হরিগুরু এই চারি সম্প্রদায়ের আংশিক তত্ত্ব কথা, বৈষ্ণবের খুটিনাটি। শ্লোক-কলৌ প্রথম সন্ধ্যায়াং লক্ষ্মী কােেন্ত ভবিষ্যসি। শব্দার্থ ও অনুবাদ।-
ঃ অথ দারুব্রহ্মে গৌরাঙ্গ মিলন।ঃ-
এই প্রবন্ধে মহাভারত হইতে আলোচনা।
-ঃ গৌরভক্তের খেদ ও দৈবাদেশ।ঃ-
- অবতার অনুক্রম ও যশোমন্ত ঠাকুর ও পৌরানিক অন্যান্য ভক্তচরিত।
ভক্তের কাছে ভগবান বাঁধা থাকেন। এই প্রসঙ্গে সতী ধরাদেবী ও ব্রাহ্মণ ঠাকুর দ্রোনের ভক্ত চরিত। কুব্জা রানীর পূর্বের ইতিহাস। মহাভারতের কাহিনী [এই মহাভারতের কাহিনীটি বাদ দিলে কেমন হয়।]
পঞ্চ বায়ুর কথা। ভক্ত হরিদাসের জন্ম বৃত্তান্ত। ঝড়– ভূঁই মালি ও কালিদাস ঠাকুরের লীলা। শ্লোক-ন শুদ্রা যেন ভক্তা জনার্দ্দনা। শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ। পুন: শ্লোক-চ-ালোহপি-----দ্বিজহোপি সপচাধম:। শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ।
ঃ দ্বিতীয় তরঙ্গ ও বন্দনা।ঃ-
- মহাপ্রভূর পূর্ব পুরুষদিগের বিবরণ।
- অথ যশোমন্ত চরিত্র কথা।
- শ্রীমদ্রামকান্ত বৈরাগীর উপাখ্যান।
- অন্নর্পূণা মাতার যশোদা আবেশ।
-ঃ শ্রী শ্রী হরিঠাকুরের জন্ম বিবরণ।ঃ-
পিতা কুবের ও পুত্র নকিমের আরোপ ধ্যান। মাতা দুর্গাদেবীর প্রতিজ্ঞা। শ্লোক-কমলা রন্ধনা
দেবানাং দুর্ল্লভা মপি। শব্দার্থ ও বঙ্গানুবাদ।
- রামকান্তু বৈরাগীর পূর্ব্বাপর প্রস্তাব কথন।
- রামকান্তের বাসুদেব দর্শন।
- শ্রী শ্রী বাসুদেব জীর ¯œান যাত্রা।
- বাসুদেব ও রামকান্ত বৈরাগীর চরিত্র কথন, নৌকা গঠন ও রথ যাত্রা।
- রামকান্তের বাসুদেব ও জগন্নাথ রথযাত্রা।
- রামকান্ত বৈরাগীর মানব লীলা সম্বরণ।
-ঃ তৃতীয় তরঙ্গ ও বন্দনা। ঃ-
যশোমন্ত ঠাকুরের বৈষ্ণব সেবা ও বৈষ্ণব দাসের পুনর্জ্জীবন।
বৈষ্ণব দাস ঠাকুরের সলিল সমাধির পুকুর দর্শনের ইতিহাস ও মাতা সুবর্ণা ঠাকুরাণী কর্তৃক গদ্যাকারে এই গ্রন্থ লিখিবার আদেশ।
- মোহ মুদগরোপাখ্যান।
এই উপাখ্যানে আসন্ন মৃত্যুর হাত হইতে রক্ষা পাওয়া একটি বাস্তব সত্য ঘটনাবলি।
- জয়পুর রাজ কুমারের পূণর্জ্জীবন।
মহামুনিমার্ক-য়ের সপ্ত কল্প পরমায়ু লাভ। মহারথী কর্ণের জন্ম বৃর্ত্তান্ত ও তাহার দান পরীক্ষা।
- প্রভূদের বাল্য খেলা।
অষ্ট বিংশ মন্নন্তরে ........ অফুটন্ত পুষ্পকলি।
- মহাপ্রভূর বাল্য লীলা।
- রাখাল বিশ^নাথের জীবন দান।
- মহাপ্রভূর গোষ্ঠ লীলা ও ফুলসজ্জ্যা।
দেবীদহের সৃষ্টি ও মহামায়ার পূজা এবং ১০৮টি খ- মালা দ্বারা মালা তৈরীর চিত্র সহ আলোচনা।
- শ্রী গৌরাঙ্গের হস্ত গণনা।
- জ্ঞানযোগ ও রস প্রকরণ।
- অথ লক্ষ্মী মাতার জন্ম বিবাহ ও যশোমন্ত ঠাকুরের তিরোভাব।
-ঃ চতুর্থ তরঙ্গ ও বন্দনা।ঃ-
- গ্রন্থাকারের প্রতি গ্রন্থ লিখিবার আদেশ।
রাজা দুষ্মন্ত ও শকুন্তলার মিলন। উপরিচর বসুর আত্ম কাহিনীও সত্যবতীর গর্ভে বেদব্যাসের জন্মকথা।
- কবির জন্মোপাখ্যান।
- গ্রন্থকারের অনুনয়।
পঞ্চ পঞ্চাশৎ ও ত্রয়োস্ত্রিংশৎ বর্ণ সমষ্টির ব্যাখ্যার সহিত, “ব্যাস কহে ব্যাস স্থানে’’ বাক্যের আলোচনা। পঞ্চপ্রেম তত্বের সেবামুলক সামান্য কিছু আলোচনা। হলাদিনী অংশে তালবৃক্ষের জন্ম রহস্য।
- শ্রীমৎ ব্রজনাথ পাগলোখ্যান।
আরোপ ধ্যান সম্বন্ধে আলোচনা। পরপর কযেকটি শ্লোকের শব্দার্থ ও টীকাকরণ।
- সফলানগরী শ্রীহরির আবির্ভাব ও শ্রী হরির অঙ্গে জ্যোতির্ম্মিলন।
- ব্রজনাথের দ্বারা মৃত গরুর জীবন দান।
- প্রভূদের জমিদার সঙ্গে বিবাদ বিবরণ।
- জমিদারের অত্যাচার।
লাট দরবারে দরখাস্ত করা।
- পঞ্চ ভাই পৃথকান্ন ও মুদ্রাবণ্টন।
- ব্রজনাথের জীবন ত্যাগ।
-ঃ পঞ্চম তরঙ্গ ও বন্দনা। ঃ-
- মহাপ্রভূ কর্তৃক কৃষি কর্ম্ম।
- নিষ্কাম বা আত্ম সমার্পণ।
- বৈশ্যদস্যুর প্রস্তাব।
দস্যু ব্রাহ্মণের দীক্ষা প্রাপ্তে বিলাপ। নাম নামিন শব্দের সামান্য তম আলেচনা।
- শাপ ভ্রষ্টা ব্রাহ্মনীর টিকটিকি রূপ ধারণ ও মোক্ষন।
- প্রভূর ধর্ম্ম কন্যার বিবরণ।
ধন সম্পত্তি লইয়া বাস্তব জগতের উপমা। হর পার্ব্বতীর বিবাহ উপলক্ষে মৈনাক পর্বতের চূড়াভঙ্গ। কুবেরয়াদির জন্ম রহস্য।
- রাউৎখামার গ্রামে প্রভূর প্রকাশ ও ভক্ত সঙ্গে নিজালয়ে গমণ।
-ঃ ষষ্ঠ তরঙ্গ ও বন্দনা। ঃ-
- ভক্তগণের মহাসংকীর্ত্তনোচ্ছাস।
কল্পবৃক্ষ ও শ্রীহরিচাঁদের কৃষ্ণ নামের দোহাই দেওয়া প্রসঙ্গ।
- প্রভূর নুতন বাটী বসতি।
- রোগের ব্যবস্থা।
- রামকুমারের অঙ্গে কাল সর্পাঘাত।
সর্প জাতির জন্ম, বিষ উৎপত্তির কথা। পুতনা রাক্ষসী কর্তৃক ভগবানকে বিষ পান করা। গরুড় পক্ষী কর্তৃক স্বর্গ হইতে সুধা আনা ও মাতা বিনতার দাসীত্ব মোচন।
- ভক্তগণের উদার ভাব।
কালীয় নাগের পূর্ব জন্মের ইতিহাস। প্রভূ হরিচাঁদের ভাবউক্তি। আমি মৃগগোচরণে, চরাইতে গেনুবনে, খেতে যাই মলয়ের পত্র। কল্যকার একজনে বিধিল আমারে বানে, বলে আমি শ্রীকৃষ্ণের পুত্র। এবনে এসেছে সীতে..........বলে হারে কোথায় পালিবি। আমি তারে বলে কয়ে..................আর নালুটিব পত্র তরু। শ্রী আনন্দ তরুবরে....... সে পত্র হরিণে লুটে খায়। করিযজ্ঞ জীবোদ্ধার ......শূন্যে যায় হবি। করি যত কাঁদাকাদি........... আর না লুটিব পত্র তরু॥
- প্রভূ মাতার নিকটে রাজমাতার অনুনয়।
- ভক্তগণের মতুয়া খ্যাতি বিবরণ।
- রামলোচনের বাটী মহাউৎসব ও চৈতন্য বালার দর্প চুর্ণ।
- গোস্বামী গোলোকচাঁদের বংশোখ্যান।
- বদন ঠাকুরের উপাখ্যান।
Post a Comment